ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • অন্যান্য
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খেলাধুলা
  4. জাতীয়
  5. জীবনধারা
  6. বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
  7. বিনোদন ভুবন
  8. বিবিধ
  9. ভিডিও নিউজ
  10. রাজধানী
  11. রাজনীতি
  12. শিক্ষা
  13. সর্বশেষ
  14. সারাবাংলা
  15. স্বাস্থ্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপানের বড় বিনিয়োগকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদলের সাথে সাক্ষাৎ

DailyNews24BD
জুন ৩, ২০২৬ ৫:২২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ঢাকা, ০৩ জুন, ২০২৬ : জাপানের বড় বিনিয়োগকারি প্রতিষ্ঠান মিতসুই অ্যান্ড কোং-এর উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলে থাকা কর্মকর্তারা বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে অংশ নেন এবং বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেন। সভাটি রাষ্ট্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়; আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল জ্বালানি খাত, কৃষি উৎপাদন ও প্রযুক্তি‑ভিত্তিক সেবায় ভীষণ সম্ভাবনা খোঁজা এবং দুটি দেশের ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব বাড়ানোর উপায়।

বাংলাদেশ সরকার প্রতিনিধি দলকে জানান যে বিদেশি বিনিয়োগকে আরো আকর্ষণীয় করতে এবং দ্রুত মঞ্জুরি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে তারা বিভিন্ন সরকারি সেবাকে ‘ওয়ান‑স্টপ সার্ভিস’ আর্কিটেকচারের অধীনে সংহত করার উদ্যোগ নিচ্ছে। এমন ব্যবস্থা চালু হলে কোম্পানি নিবন্ধন, লাইসেন্সপ্রাপ্তি ও অন্যান্য প্রশাসনিক কাজগুলো দ্রুত ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করার অঙ্গীকার জানানো হয়।

সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন; তাদের মধ্যে ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর প্রতিনিধি, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা এবং অর্থ সচিব। মিতসুই অ্যান্ড কোং-এর দফতর থেকে নেতৃত্ব দেন এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের সিইও মাকাতো সাতো; তার সঙ্গে ছিলেন বিভাগীয় স্ট্র্যাটেজি প্রধান এবং প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশ শাখার শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা।

বিশ্লেষণে বলা যায়, মিতসুইয়ের আগ্রহ বাংলাদেশে সরবরাহশৃঙ্খলা, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও শক্তি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষত অ্যাগ্রোচেইনে উন্নত লজিস্টিকস ও আইটি সমাধান সংযুক্ত করলে উৎপাদন খরচ কমানো ও রপ্তানির সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব। পাশাপাশি, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ হলে দেশের জ্বালানি মিশ্রণ ও স্থিতিশীলতা উন্নত হওয়ার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত স্থানান্তরও ঘটতে পারে।

দেশে ‘ওয়ান‑স্টপ সার্ভিস’ কার্যকর হলে বিদেশি কোম্পানির জন্য ব্যুরোক্র্যাটিক বাধা কমে যাবে এবং বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সময় অন্তত কমবে—যা প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্ত করবে। তবে বিনিয়োগের বাস্তব সুফল পেতে পরিবেশগত নিয়মনীতির মান বজায় রাখা, স্থানীয় কর্মী দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রতিযোগিতামূলক নীতিমালা নিশ্চিত করাও জরুরি হবে।