ঢাকাবুধবার , ৪ঠা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
  • অন্যান্য
  1. অর্থনীতি
  2. আন্তর্জাতিক
  3. খেলাধুলা
  4. জাতীয়
  5. জীবনধারা
  6. বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
  7. বিনোদন ভুবন
  8. বিবিধ
  9. ভিডিও নিউজ
  10. রাজধানী
  11. রাজনীতি
  12. শিক্ষা
  13. সর্বশেষ
  14. সারাবাংলা
  15. স্বাস্থ্য
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পরীমনির জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
নভেম্বর ৪, ২০২৬ ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিনকে হত্যাচেষ্টা মামলা: চিত্রনায়িকা পরীমনির জামিন বাতিল, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ঢাকা: সাভারের বোট ক্লাবের সভাপতি ও ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদকে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং হত্যাচেষ্টার মামলায় চিত্রনায়িকা পরীমনির জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রাহমান এই আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে পরীমনি আদালতে হাজির না হয়ে তার আইনজীবীর মাধ্যমে সময়ের আবেদন করেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, অ্যালার্জিজনিত রোগে আক্রান্ত থাকার কারণে পরীমনি আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। অন্যদিকে, বাদীপক্ষ পরীমনির এই সময়ের আবেদনের বিরোধিতা করে তার জামিন বাতিলের আবেদন জানায়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত পরীমনির সময়ের আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং তার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

মামলার প্রেক্ষাপট ও তদন্ত:
২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অন্য দুই আসামি হলেন—পরীমনির সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি এবং কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিম।

পরবর্তীতে ২০২৪ সালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। তবে অন্য আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আদালত ২০২৪ সালের ২৫ জুন পরীমনি ও জিমকে সমন জারি করলে তারা আদালতে হাজির হয়ে জামিন লাভ করেছিলেন। এর আগে গত বছরের ২৬ জানুয়ারি এই মামলায় অভিযোগ গঠন করার দিনও পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল, তবে পরবর্তীতে তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।

নাসির উদ্দিনের অভিযোগ:
মামলার আরজিতে বাদী নাসির উদ্দিন উল্লেখ করেন, ২০২১ সালের ৯ জুন রাত ১২টার পর পরীমনি ও তার সহযোগীরা সাভারের বোট ক্লাবে প্রবেশ করেন এবং সেখানে বসে অ্যালকোহল পান করেন। রাত ১টা ১৫ মিনিটে বাদী যখন ক্লাব ত্যাগ করছিলেন, তখন পরীমনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে তাকে ডেকে নিয়ে টেবিলে বসার অনুরোধ করেন। একপর্যায়ে পরীমনি একটি ‘ব্লু লেবেল’ অ্যালকোহলের বোতল বিনামূল্যে পার্সেল দেওয়ার জন্য চাপ দেন।

নাসির উদ্দিন এতে রাজি না হওয়ায় পরীমনি তাকে গালমন্দ করেন এবং তাদের মধ্যে বাদানুবাদ শুরু হয়। একপর্যায়ে পরীমনি বাদীর দিকে একটি সার্ভিং গ্লাস ও নিজের মোবাইল ফোন ছুড়ে মারেন, যার আঘাতে নাসির উদ্দিন মাহমুদ মাথায় ও বুকে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন। মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, পরীমনি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করিয়ে বিভিন্ন সময়ে হয়রানির ভয়ভীতি দেখাতেন।